সারা বিশ্বে বিভন্ন  ধরনের পিঠা তৈরি করা হয়। কিন্তু পিঠা তৈরি এবং থাকার জন্য  শীতকালীন সেরা মৌসুম হয় ।আমার কাছে পিঠের সর্বত্তম সময় হল শীতকালিন সকাল ।

পিঠা তৈরি করার জন্য , আটা , চাল , নারিকেল, কলা , তৈল প্রভ্রতির গুঁড়ো দরকার ।মিষ্টি মিষ্টি তৈরি করার জন্য আমরা খেজুরের গুড় বা পাতার গুড় ব্যবহার করতে পারি ।বা আখের গুঁড়ো বা খাদ বা চিনির রস ব্যবহার করি । তবে পিঠা কিছু মিষ্টি হয় , এবং কিছু লবনাক্ত এবং কিছু নরম এবং কিছু কটিন ।
পিঁটা খেতে কে না ভালোবাসে । শীতকালে বাংলার ঘরে ঘরে চলে পিঠা তৈরির ধূম । বিভন্ন সময় বিভন্ন রকম সাধের পিঠা খেতে চাইলে আর চিন্তার কারন নেই ।
ধরাই হয় , যে মেয়ে যত বেশী পিঠার রেসিপি জানে , তিনি তত বেশি গুনবতি । তাই সব সময় মেয়েরা নতুন নতুন পিঠার রেসিপি শেখা এবং উদ্ভাবন করতে ব্যস্ত থাকে । ভাবুন তো , যদি আপনার মা, খালা, বোন, স্ত্রীকে ১০১ পিঠার রিসিপি দিতে পারেন তাহলে কি পরিমান খুশি হবে । আমরা ১০১ টি পিঠার রিসিপি সংগ্রহ করেছি যে , পিঠা গুলো খুবই মুখরোচক । এই ১০১ পিঠার রেসিপি যে কাউকে উপহার দিয়ে খুশী করে দিতে পারে খুব সহজেই ।

বাংলাদেশকে যেমন ষড়ঋতুর দেশ বলা হয়ে থাকে, আবার পিঠা পুলির দেশ বলা হয় । বাংলার ঋতু ভেদে পিঠা রেসিপি পরিবর্তন হয় । এতেই বাঙ্গালির ভোজন রসিকতা অনুমান করা যায় ।
বাঙালিদের শীতের পিঠা, গরমের পিঠা , বসন্তের পিঠা , হেমেন্তের পিঠা , বর্ষার পিঠা নকশী পিঠা, তেলের পিঠা , তালের পিঠা সহ অনেক রকম পিঠা আছে ।
বাঙালি পুরুষ যেমন ভোজন রসিক তেমনি বাঙালি নারীরা রান্না প্রিয় । মজার মজার রান্না করতে তারা খুব ক্লান্তিহীন ।
নতুন রান্নার রেসিপি পেলে বঙ্গ ললনরা রান্নাঘর এ অন্তত একটি বাংলা বই পাওয়া যায় ,আবার কারো ঘরে ইংলিশ রেসিপির বই পাওয়া যায় ।
তাই আপনারা চাইলে কম খরচে ও খুব সহজেই ঘরের তৈরি করতে পারেন এসকল পিঠা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!