আগামী মাসের শুরুতেই ভারতের সঙ্গে সিরিজ বাংলাদেশ এর।৩ নভেম্বর দিল্লিতে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম বাংলাদেশ সিরিজ। সেদিনই প্রথম টি২০ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে তিনটি টি২০ ম্যাচ ও তিনটি টেস্ট খেলা হবে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট এর উপর থেকে কোন ভাবেই সমস্যা যাচ্ছে না।গত ২২অক্টোবর আল হাসান ঘোষণা করেছিলেন, দল ধর্মঘটে বসছে। সেই থেকে সমস্যা চলছেই। বুধবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকের পর খেলোয়াড়রা ধর্মঘট তুলে নেন। কিন্তু সমস্যা এখনও মেটেনি।  তার আগেই এক শীর্ষ বোর্ড আধিকারিক শোকজ করাসভাপতি নাজিমুল হক বৈ হতে পারে শাকিবকে। এরপর দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজেকে ভারত সফর থেকে সরিয়ে নেন। এই ঘটনায় নয়া সংযোজন, নাজমুল হাসান দাবি করেছেন, চার সপ্তাহ সময়কালের ভারত সফর বানচাল করার চক্রান্ত হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের দৈনিক ‘প্রথম আলো’-কে নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, ‘‘আপনারা (সংবাদমাধ্যম) ভারত সফরের এখনও কিছুই দেখেননি। দেখুন কী হয়। আমি যখন বলছি, ভারত সফরে অন্তর্ঘাত করা নিয়ে একটা ষড়যন্ত্র হয়েছে, তখন আপনাদের আমায় বিশ্বাস করা উচিত।”

তিনি এও জানান, তামিম ইকবালের নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে এই চক্রান্ত সম্পর্কে তিনি অবহিত হন।

তিনি বলেন, ‘‘তামি আমাকে আগে বলেছিল ও কেবল দ্বিতীয় টেস্টে (২২-২৬ নভেম্বরের কলকাতা টেস্ট) খেলবে না, কারণ ওর দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হওয়ার কথা ওই সময়ে। কিন্তু খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠক শেষে তামি আমার ঘরে এসে বলল ও পুরো সফর থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিতে চায়। আমি বললাম, কিন্তু কেন? ও কেবল জানিয়ে দিল, ও যাবে না।”

তিনি আরও বলেন, ‘‘আর এরপর আমি অবাক হব ন‌া যদি দেখি কেউ একেবারে শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে। তখন আর আমাদের কাছে কোনও অপশন থাকবে না। আমি শাকিবকে ডেকেছি কথা বলতে। এখন যদি ও সরে দাঁড়ায় আমি কোথা থেকে একজন অধিনায়ক পাব? আমাকে পুরো কম্বিনেশন বদলাতে হবে। আমি এই খেলোয়াড়দের নিয়ে কী করব?”

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘‘আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি ‌না। আমি রোজ ওদের সঙ্গে কথা বলি। ওরা ধর্মঘট ডাকার আগে আমাকে একবার জানায়ওনি। আমি মনে করি ওদের দাবি মেনে নেওয়া আমার ভুল হয়েছে। এটা করা আমার উচিত হয়নি।”

নাজিমুল হকের বক্তব্য, ‘‘আমার খেলোয়াড়দের বলা উচিত ছিল, তোমরা ধর্মঘট না তুলে নিলে আমরা তোমাদের সঙ্গে বসব না। বোর্ডের অনেক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে আমার মনে হয়েছে, এটাই আমাদের করা উচিত ছিল। কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমাদের উপরে চাপ দিচ্ছিল।”

দল ধর্মঘট এর পর বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি।আইসিসির  যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি স্থগিত থাকবে।আইসিসির ২টি শর্ত পূরণ না করলে নিষেধাজ্ঞা ২ বছর থাকবে। এ শাস্তির ফলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত কোন ম্যাচ খেলতে পারবেন না সাকিব। নিষেধাজ্ঞার জন্য ৩২ টি ম্যাচ খেলতে পারবেন না সাকিব।তাই ভারত সফর ও খেলতে পাবে না সাকিব। সাকিব ছাড়া দল যেন অনেকটাই ভেংগে পরেছে। এ ছাড়া তামিম ও ভারত সফর এ খেলবেন না। এটা যেন বাংলাদেশ এর জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ।সাকিব তামিম কে ছাড়া ভারত সফর শেষ করা।

ভারত সফর এর ১ম ম্যাচ শুরু হবে ৩ নভেম্বর দিল্লিতে ।ততক্ষন আমাদের সাথে থাকুন। বিদায়। ভাল থাকবেন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!