বাংলাদেশ এিৃ-সিরিজ ২০১৯ এ বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে ম্যাচ এ ৩৯ রান এ জয় বাংলাদেশ এর। টস এ হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ এর পারফমেন্স শুরুতে ভালোই ছিল। নাজমুল হাসান ও লিটন দাস এর যৌথ ভাবে ৪৯ রান এ ১১ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় নাজমুল কে। আগের ম্যাচ এর হতাস কাটিয়ে লিটন দাস আজকে তার দুদান্ত পারফমেন্স দেখাই। ২২ বল এ ৩৮ করে এমপফু বলে ৫.৬ ওভার এ মাঠ ছাড়তে হয়। কিন্তু তার পর ব্যাট করতে এসে সাকিব আল হাসান যেন তার পারফমেন্স হারিয়ে ফেলে। ৯ বলে ১০ করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।এর পর মাহমুদুল্লাহ যেন ম্যাচ এর হাল ধরে । ৪১ বলে ৬২ রান করে একটি দুদান্ত পারফমেন্স দেখাই মাহমুদুল্লাহ।কিন্তু তাকেও জারভিস এর ওভার এ মাঠ ছাড়তে হয়। এর পড় শেষ এর দিকে আর কেই সেই পারফমেন্স ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ২০ ওভার এ ৭ উইকেট এ ১৭৫ রান এ মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশ হল কে।

১৭৬ রান এর টার্গেট এ ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে শুরু থেকেই তাদের পারফমেন্স দেখাতে পারেনি। ৫ বলে ০ রান করে সাইফুদ্দিন এর ওভার এ মাঠ ছাড়তে হয় জিম্বাবুয়ের ওপেনার ব্যাটস ম্যান ব্রেন্ডন টেলর কে। এর পড় মাঠে নামে রেগিস চকভা ।কিন্তু তাকেও সাকিব আল হাসান এর ওভার এ ০ রান করে মাঠ ছাড়তে হয়।পুরো ম্যাচ এ জিম্বাবুয়ে যেন এক হতেস নিয়ে খেলেছে বলা যাই। একের পর এক হতাস এর জন্য তারা যেন ম্যাচ থেকে ছিটকে পরে। কিন্তু রিচমন্ড মুতুম্বামী এসে যেন ম্যাচ এর পূর্ণতা ফিরিয়ে আনে। ৩২ বল এ ৫৪ রান করে জিম্বাবুইয়ের জয় এর আসা জাগিয়ে তোলে। কিন্তু সাইফুল এর ওভার এ তাকেও মাঠ ছাড়তে হয়।তার পর রিচমন্ড এর সেই পারফমেন্স আর কেই ধরে রাখতে পারেনি। ফলে পরাজয় মেনে নিতে হয় জিম্বাবুইয়েকে।১০ উইকেট এ ১৩৬ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় জিম্বাবুইয়ে দল কে।

ম্যাচ শেষ এ সাকিব আল হাসান বলেনঃব্যাট দিয়ে শুরুটা ভালই। আমরা যেভাবে চাইছিলাম ইনিংসটি শেষ করতে পারেনি। এটি এমন একটি অঞ্চল যা আমরা উন্নতি করতে পারি। বোলাররা দুর্দান্তভাবে এটির ব্যাক আপ করেছে। তাদের কৃতিত্ব। আমরা যেভাবে ফিল্ডিং করেছি তা এই ভিজা আউটফিল্ডটিতে দুর্দান্ত ছিল। বিপ্লব, যেভাবে তিনি বোলিং করেছিলেন, প্রচুর সাহস দেখিয়েছিলেন। একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে, প্রায়শই না করা, বোলাররা আপনাকে ম্যাচ জিততে পারে।

হ্যামিল্টন মাসাকাদজা বলেনঃযদি আপনি 10 ওভারের মধ্যে আপনার অর্ধেক দিকটি হারিয়ে ফেলেন তবে আপনি সর্বদা গেমের পিছনে থাকবেন। আমি ভেবেছিলাম স্কোরটি তাড়াযোগ্য, চারদিকে শিশিরের সাথে তাড়া করার সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে আমরা যে সূচনাটি চেয়েছিলাম তা আমরা পাইনি। আমরা ফাইনালে উঠতে পারি না, তবে পরের ম্যাচের কিছুটা অনুপ্রেরণা আছে, আমরা কখনও আফগানিস্তানকে পরাজিত করতে পারি নি।

পরবতী ম্যাচ এর জন্য আমাদের সাথে থাকুন।ততক্ষনে বিদায়।ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!