বাংলাদেশ এিৃ-সিরিজ ২০১৯ এর ৩য় ম্যাচ এ আজ  জিম্বাবুয়ের বিরুধে ২৮ রান এ জয় লাভ করেছে আফগানিস্তান। টস এ জিতে বোলিং এ যাওয়া জিম্বাবুয়ের বিরুধে ২০ ওভার এ ৬ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান ১৯৭ রান এর পাহাড় গোঁড়ে তোলে। শুরু দিকে আফগানিস্তান ৫৭ রান এ জুটি তৈরি করলেও হযরতউল্লাহ জাজাইরহ উইকেট এ ভেংগে যাই সেই জুটি। এর পর নাজেব তারাকি, আসগর আফগান মাঠ এ জুটি তৈরি করতে পারেনি। ১৪ রানেই তাদের ফিরে যেতে হয়।

নাজিবুল্লাহ জাদরান  এর অপরাজিত ৬৯ রান আফগানিস্তান কে পৌছে দেই ১৯৭ রান এ। ৩০ বল এ ৬টি ৬ ও ৫টি রান এ আফগানিস্তান এর জয় এর আশা দেয়।টেন্ডাই চাতারা ও শন উইলিয়ামস এর দুটি করে উইকেট এ আফগান কিছু হয় ভিত হলেও নাজিবুল্লাহ জাদরান  এর অপরাজিত ৬৯ রান তাদের জয় এর আশা ফিরিয়ে দেই।

 

 

১৯৭ রান এর টারগেট এ মাঠে নেমে ২৫ রান এ ১ উইকেট হারাতে হয় জিম্বাবুয়েকে। এর পর ৩৩ রান এ ৩টি উইকেট হারিয়ে যখন জয় এর আশা ছেড়ে দেই তখন রেগিস চকভা ৪২ রান জিম্বাবুয়েকে কিছুটা জয় এর দিকে নিয়ে যাই। ১৪১ রান এ ৭ টি উইকেট হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে যাই জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তখন হাল ছাড়েনি রেগিস চকভা। অপরাজিত ৪২ রান করেন তিনি। কিন্তু শেষ প্রর্যন্ত শেষ রক্ষা হল না জিম্বাবুয়ের। ২০ ওভার এ ১৬৯ করে ফিরে যেত হল তাদের। ম্যাচ শেষ আফগানিস্তান ক্যাপ্টেন রশিদ খান বলে ‘এটি দুর্দান্ত জয় ছিল, প্রথম ইনিংসে ছেলেরা যেভাবে ব্যাটিং করেছিল তার কৃতিত্ব ছেলেদের। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত অবদান রেখেছিল। এটাই আফগানিস্তানের ছেলেদের সৌন্দর্য, তারা ফরম্যাটের সাথে দ্রুত খাপ খায়।‘ হতাশার দিন। একমাত্র ইতিবাচক বিষয়টিই সামনে আসে যে আমরা কীভাবে শেষ দিকে ব্যাটিং করেছি এবং স্পিনাররা কীভাবে মাঝের ওভারগুলিতে বোলিং করেছিলেন। আমাদের স্পিনাররা আমাদের মাঝপথে ফিরিয়ে এনেছিল তবে নাজিব এবং নবী আমাদের খেলা থেকে দূরে সরিয়ে নিতে সত্যিই ভাল খেলেছিল। শেষ দুটি গেম আমরা ব্যাকএন্ডে কার্যকর করি নি তবে ছেলেরা সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করছে।

 

আজ আপনার সংস্থার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। পরবর্তী ম্যাচ এর জন্য আমাদের সাথে যোগ দিন।ততক্ষণে বিদায়।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!