কোয়ার্টার ফাইনালে ভেনিজুয়েলাকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১ টায় ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দু দল। ম্যাচের দশ মিনিটেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্টাইকার আগোয়েরোর দেওয়া পাসে ম্যাচের ১০ মিনিটে গোল করেন আর্জেন্টাইন তরুণ স্টাইকার মারটিনেজ। এরপর আর্জেন্টিনা ভেনিজুয়েলার রক্ষণে কয়েকটি আক্রমন করলেও গোলের দেখা পায়নি।

১-০ তে লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে তারা। দ্বিতীয়ার্ধেও আর্জেন্টিনা আক্রমনাত্নক ফুটবল খেলে ভেনিজুয়েলাকে চাপে রাখে। তবে গোলের দেখা পাচ্ছিল না। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে আর্জেন্টিনার জিওভানি ল সেলসও দারুন এক শটে বল ভেনিজুয়েলার জালে পাঠান।

অবশ্য এই গোলটি আগোয়েরোর হতে পারত। যদি না তাঁর শটটি গোলকিপারের হাতে লেগে ফিরত না আসত। তবে জিওভানির পায়ে বল আসলে তিনি গোল করতে ভুল করেননি। ফলে ২-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসি বাহিনীরা।

আর্জেন্টিনার জয়ের দিনে দলের সবচেয়ে বড় তারকা লিউনেল মেসি ছিলেন নিষ্প্রভ। ভেনিজুয়েলার রক্ষন ভেদ করতে পারেননি তিনি। এতে ভেনিজুয়েলার রক্ষনভাগের খেলোয়াড়দেরই বেশী অবদান ছিল। মেসি জ্বলে উটলে হয়ত ব্যবধান আরও বড় হত।

ম্যাচে আর্জেন্টিনার আধিপত্যই ছিল বেশী। আর্জেন্টিনা ভেনিজুয়েলার রক্ষনে শট নিয়েছে ১৭ বার। আর ভেনিজুয়েলা নিয়েছে মাত্র ৬ বার। তবে পাসের সংখ্যায় মেসিদের চেয়ে এগিয়ে ছিল তারা। আর্জেন্টিনা যেখানে বল পাস করেছে ৩০০ বার, ভেনিজুয়েলা করেছে ৪৩৬ বার।

ম্যাচে ফাউলের সংখ্যায় দু দলই প্রায় সমান ছিল। আর্জেন্টিনার চেয়ে একবার (১৬-১৫) বেশী ফাউল করেছে ভেনিজুয়েলা। আর্জেন্টিনা কর্নার পেয়েছে ৭টি। আর ভেনিজুয়েলা পেয়েছে ৮টি।

আগামী মঙ্গল বার সেমিফাইনালে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

Mustafa Shakir
আরও পড়ুনঃ টাইব্রেকারে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে সেমিতে ব্রাজিল
জন্মদিনে মেসিকে জয় উপহার দিলেন আগুয়েরো ও মার্টিনেজরা

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!