‘টাইটানিক’-এর রেকর্ড ভাঙলো ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’

0
146

বিশ্বনন্দিত ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র ‘টাইটানিক’-এর রেকর্ড ভেঙ্গে দিলো মার্ভেল কমিস হিরোদের চলচ্চিত্র ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। মার্কিন সাময়িকী হলিউড রিপোর্টার জানাচ্ছে ছবিটি ২.১৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। টাকার অঙ্কে তা ১৮ হাজার ৮২৫ কোটি! এটিই বিশ্বে সর্বোচ্চ আয় করা সুপারহিরো ছবি।

অন্যদিকে ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও কেট উইন্সলেট অভিনীত ‘টাইটানিক’ আয় করেছিল ২.১৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ছবিটি পরিচালনা করেন জেমস ক্যামেরুন।

অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম ও টাইটানিক ছবি

মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ শুধু ভারতে আয় করেছে ৪৫০ কোটি টাকা, উত্তর আমেরিকা থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা, চীন ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা আর বাকি বিশ্বে আয় হয়েছে ৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। বাংলাদেশে এর আয় ৩ কোটি টাকা!
এর ফলে এখন শুধু মার্ভেল সুপারহিরেোদের সামনে আছে ‘অ্যাভাটার’। জেমস ক্যামেরুন পরিচালিত এ ছবির আয় ২.৭৮ বিলিয়ন। এখন পর্যন্ত বিশ্বে আয় করা শীর্ষ ছবিগুলো হলো- ‘অ্যাভাটার’ (২.৭৮ বিলিয়ন), ‘টাইটানিক’ (২.১৮৭ বিলিয়ন), ‘স্টার ওয়ারস : দ্য ফোর্স অ্যাওকেনস’ (২.০৬ বিলিয়ন) ও ‘অ্যাভেঞ্জার্স : ইনফিটিনিটি ওয়ার’ (২.০৪ বিলিয়ন ডলার)।২০০৮ সালে ‘আয়রন ম্যান’ ছবির মাধ্যমে শুরু হয় মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)। সেই থেকে ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ চরিত্রগুলো নিয়ে বিশ্বব্যাপী উন্মাদনার সুবাদে এত অল্প সময়ে বিপুল ব্যবসা হচ্ছে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। গত এক দশকে এমসিইউ’র ২১টি ছবির মাধ্যমে প্রত্যেক সুপারহিরোর প্রতি মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এর সমাপ্তি টানা হয়েছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ ছবিতে। কীভাবে সিরিজটি শেষ হয় তা দেখতেই দর্শকদের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে।

অ্যান্থনি রুশো ও জো রুশো পরিচালিত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রবার্ট ডাউনি জুনিয়র (আয়রন ম্যান), ক্রিস ইভান্স (ক্যাপ্টেন আমেরিকা), ক্রিস হেমসওর্থ (থর), মার্ক রাফেলো (হাল্ক), স্কারলেট জোহানসন (ব্ল্যাক উইডো), জেরেমি রেনার (হক আই), পল রুড (অ্যান্ট-ম্যান), ব্রি লারসন (ক্যাপ্টেন মার্ভেল), ডন শিডল (ওয়ার মেশিন), ব্র্যাডলি কুপার (রকেট), কারেন গিলান (নেবুলা), জশ ব্রোলিন (থানোস) প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!